রাজশাহী মহানগরীর বাসিন্দা ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, ট্রেনে যাতায়াতের পথে স্টেশন মাস্টার আজাদের সঙ্গে তার পরিচয়। এরপর তাদের মধ্যে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে কথা হতো। তিনি ওই নারীকে রেলওয়েতে চাকরি দিতে চেয়েছিলেন। বলেছিলেন, চাকরির জন্য আট লাখ টাকা লাগবে। তিনি আগাম দুই লাখ টাকাও নিয়েছিলেন।
মামলার এজাহারে ওই নারী বলেছেন, রেলওয়েতে একটি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক বই দেয়ার নামে গত রবিবার বিকালে তার বাসায় নারীকে ডাকেন আজাদ। তিনি সরল বিশ্বাসে তার বাসায় যান। গিয়ে দেখেন, বাসায় কেউ নেই। ফাঁকা বাসায় মঈন উদ্দিন আজাদ তাকে জোর করে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর তিনি হুমকি দেন, ঘটনাটি কাউকে জানালে তার বড় ধরনের ক্ষতি করা হবে।
নগরীর বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মন জানান, রেল কর্মর্কর্তা মঈন উদ্দিন আজাদ পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মামলাটি তদন্তের জন্য একজন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মিহির কান্তি গুহ বলেন, মামলার বিষয়টি শুনেছি। মঙ্গলবার ওই কর্মকর্তা অফিস করেননি। তাকে অন্যত্র বদলির জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।